শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৫, ২০১৫

এক উৎসব সন্ধ্যার উপহার

তোমাদের কুশল সংবাদ কোথাও ভিত্তি- 
প্রস্তর সুগঠিত করে তোলেনি।
নির্মাণের স্বপক্ষে দাঁড়ানো বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
থমকে যাচ্ছে, বারবার, আরতির আদিখ্যেতায়।
আর প্রণামীর বাক্স উপচে পরা ভীতি-শঙ্কা
ভক্তির উষ্ণতা মেপে চলছে অবিরত।

হুস হুস শব্দ তুলেও তাড়ানো যাচ্ছে না
বহুকালের মজ্জাগত অভ্যাস ও ধারণা।
পরিবর্তনের হাওয়া ঝোলা-বন্দী করে যতই
ঘোরাফেরা করো,
মুখ খুললেই কানে লাগছে, শূণ্যকলসের ধ্বনি।

পুরনো সিলেবাস, কুঁচকে যাওয়া ত্বকের বিজ্ঞাপন।
শীতবস্ত্রে ঘুণ কাঁটার শব্দ আটকায় না। রাত যত
গভীরে যায় দেয়াল ঘড়ির আওয়াজ স্নায়ুতে বিকট ঠেকে।
মা বলতেন,' উৎসবে সামিল হতে যদি না পারো,
অপরিচিত হলেও শেষযাত্রায় সঙ্গ দিও।'

মঞ্চশোভিত পুরনো মুখগুলো আজকাল বড্ড অপরিচিত ঠেকে,
কন্ঠ নিসৃত কোনো বাক্যে কোথাও শ্রমের ঘাম নেই। আমি আর
কখনো উৎসবে যাবনা, মা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন